দীপাবলিতে দূষণমুক্ত উৎসব পালনের আবেদন জানিয়ে তৈরি অভিনেত্রী দীয়া মির্জ়ার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে নিয়েছে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি)। মুম্বইয়ের বিজেপির সভাপতি অমিত সটামের আপত্তির পরেই এই সিদ্ধান্ত নেয় পুরসভা। তা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। এ বার গোটা ঘটনায় মুখ খুললেন অভিনেত্রী।
দূষণমুক্ত দীপাবলি পালনের প্রচারের অঙ্গ হিসাবে তৈরি ওই ভিডিয়োয় সাধারণ মানুষের কাছে শব্দ ও বায়ুদূষণ এড়িয়ে উৎসব পালনের আবেদন জানিয়েছিলেন দীয়া। ভিডিয়ো সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে এক সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী বলেন, “অন্ধকারের ঊর্ধ্বে আলোর, অজ্ঞতার ঊর্ধ্বে জ্ঞানের এবং হতাশার ঊর্ধ্বে আশার জয় উদ্যাপন করে দীপাবলি। জনসচেতনতা বাড়ানোর স্বার্থেই ভিডিয়োটি তৈরি করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যাতে আরও স্বাস্থ্যকর এবং সচেতন ভাবে উৎসব পালন করেন, সেই বার্তা দেওয়া। বায়ুদূষণ জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত একটি বিষয়। তা কমানোর লক্ষ্যে প্রতিটি উদ্যোগই আমাদের সকলের জন্য আরও ভাল পরিবেশ গড়ে তোলার পথে এক ধাপ এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।”
উল্লেখ্য, রবিবার দীপাবলিতে শব্দদূষণ এড়িয়ে উৎসব পালনের আবেদন জানিয়ে বিএমসি-র প্রচারে দীয়াকে যুক্ত করার সমালোচনা করেন বিজেপি নেতা অমিত সটাম। এর পরেই পুরসভার সমাজমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি সরিয়ে নেওয়া হয়। যদিও এই সিদ্ধান্তের কারণ সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি বৃহন্মুম্বই পুরসভা।
বৃহন্মুম্বই পুরসভাকে ট্যাগ করে একটি পোস্টে অমিত লেখেন, “দীয়ার কাছ থেকে দীপাবলি কী ভাবে পালন করতে হবে, সে বিষয়ে আমাদের কোনও উপদেশের প্রয়োজন নেই। আমাদের সংস্কৃতির শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত।”
উৎসবের মরসুমে বায়ুদূষণ বৃদ্ধি এবং বাজি ফাটানো নিয়ন্ত্রণে পুরসভার ব্যর্থতা নিয়ে বম্বে হাই কোর্ট অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল। আদালতের ১৫ অক্টোবরের নির্দেশ অনুযায়ী, উৎসবের সময়ে প্রকাশ্য রাস্তা, সড়ক, গলি ও ফুটপাথে বাজি ফাটানো নিষিদ্ধ। হাসপাতাল, সরকারি দফতর, আদালত ও স্কুলের মতো নীরব এলাকায় বাজি ফাটানোয় সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কম শব্দ ও কম বায়ুদূষণকারী গ্রিন ক্র্যাকার ব্যবহারে উৎসাহ দিতে বলা হয়। জনসচেতনতা প্রচারে তারকাদের যুক্ত করার বিষয়টিও বিবেচনা করতে বলে আদালত। তার পরেই বাজি-বিরোধী প্রচারে একাধিক তারকাকে যুক্ত করেছিল বৃহন্মুম্বই পুরসভা। সেই কাজে যোগ দেওয়ার জন্য তারকাদের কোনও পারিশ্রমিক নেওয়া উচিত নয় বলেও ২৬ অক্টোবর পৃথক শুনানিতে মন্তব্য করেছিল আদালত। এরই অংশ হিসাবে দীয়া ছাড়াও অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত, ক্রিকেটার অজিঙ্ক রাহানে এবং মরাঠি অভিনেত্রী নিশিগন্ধা ওয়াডের মতো তারকাও এই বার্তা দিয়েছেন।
দূষণমুক্ত দীপাবলি পালনের প্রচারের অঙ্গ হিসাবে তৈরি ওই ভিডিয়োয় সাধারণ মানুষের কাছে শব্দ ও বায়ুদূষণ এড়িয়ে উৎসব পালনের আবেদন জানিয়েছিলেন দীয়া। ভিডিয়ো সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে এক সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী বলেন, “অন্ধকারের ঊর্ধ্বে আলোর, অজ্ঞতার ঊর্ধ্বে জ্ঞানের এবং হতাশার ঊর্ধ্বে আশার জয় উদ্যাপন করে দীপাবলি। জনসচেতনতা বাড়ানোর স্বার্থেই ভিডিয়োটি তৈরি করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যাতে আরও স্বাস্থ্যকর এবং সচেতন ভাবে উৎসব পালন করেন, সেই বার্তা দেওয়া। বায়ুদূষণ জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত একটি বিষয়। তা কমানোর লক্ষ্যে প্রতিটি উদ্যোগই আমাদের সকলের জন্য আরও ভাল পরিবেশ গড়ে তোলার পথে এক ধাপ এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।”
উল্লেখ্য, রবিবার দীপাবলিতে শব্দদূষণ এড়িয়ে উৎসব পালনের আবেদন জানিয়ে বিএমসি-র প্রচারে দীয়াকে যুক্ত করার সমালোচনা করেন বিজেপি নেতা অমিত সটাম। এর পরেই পুরসভার সমাজমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি সরিয়ে নেওয়া হয়। যদিও এই সিদ্ধান্তের কারণ সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি বৃহন্মুম্বই পুরসভা।
বৃহন্মুম্বই পুরসভাকে ট্যাগ করে একটি পোস্টে অমিত লেখেন, “দীয়ার কাছ থেকে দীপাবলি কী ভাবে পালন করতে হবে, সে বিষয়ে আমাদের কোনও উপদেশের প্রয়োজন নেই। আমাদের সংস্কৃতির শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত।”
উৎসবের মরসুমে বায়ুদূষণ বৃদ্ধি এবং বাজি ফাটানো নিয়ন্ত্রণে পুরসভার ব্যর্থতা নিয়ে বম্বে হাই কোর্ট অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল। আদালতের ১৫ অক্টোবরের নির্দেশ অনুযায়ী, উৎসবের সময়ে প্রকাশ্য রাস্তা, সড়ক, গলি ও ফুটপাথে বাজি ফাটানো নিষিদ্ধ। হাসপাতাল, সরকারি দফতর, আদালত ও স্কুলের মতো নীরব এলাকায় বাজি ফাটানোয় সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কম শব্দ ও কম বায়ুদূষণকারী গ্রিন ক্র্যাকার ব্যবহারে উৎসাহ দিতে বলা হয়। জনসচেতনতা প্রচারে তারকাদের যুক্ত করার বিষয়টিও বিবেচনা করতে বলে আদালত। তার পরেই বাজি-বিরোধী প্রচারে একাধিক তারকাকে যুক্ত করেছিল বৃহন্মুম্বই পুরসভা। সেই কাজে যোগ দেওয়ার জন্য তারকাদের কোনও পারিশ্রমিক নেওয়া উচিত নয় বলেও ২৬ অক্টোবর পৃথক শুনানিতে মন্তব্য করেছিল আদালত। এরই অংশ হিসাবে দীয়া ছাড়াও অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত, ক্রিকেটার অজিঙ্ক রাহানে এবং মরাঠি অভিনেত্রী নিশিগন্ধা ওয়াডের মতো তারকাও এই বার্তা দিয়েছেন।
তামান্না হাবিব নিশু